উপাসনার নিয়ম
হুজুরি দেল ব্যতিরেকে উপাসনা হয় না। তাই শুনো-
হুজুরি করিতে লাভ চাই যেই জন। তৌবা, তসলিম, শোকর করো হে পালন।
এনাবৎ, যোহদ, অরা, রেদা ও সবর, তাওয়াক্কাল, কানাযাত এই দশ চিজের উপর।
মোরাকাবার সাথে যেই কোশেশ করিবে, বেলায়েত সোগরা তাঁর হাসেল হইবে।

অজু বিধি
সূরা মায়িদার ৬ নম্বর আয়াত মোতাবেক অজু করিতে হইবে। যথা-
মুখোমণ্ডল ধৌত, হাত সমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত এবং পা সমূহ গিঁঠ পর্যন্ত ধৌত করিতে হইবে। যদি তোমরা অপবিত্র থাকো তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও, এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও, অথবা প্রবাসে থাকো, অথবা তোমাদের কেউ প্রস্রাব পায়খানা থেকে আসো, অথবা তোমরা স্ত্রী সহবাস করে থাকো, অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও, অর্থাৎ- স্বীয় মুখোমণ্ডল ও হাত সমূহ মাটি দ্বারা মুছে ফেলো।

উপাসনার আসনে বসার পরে করণীয়
সূর্য অস্ত যাওয়ার পর মুহূর্তে অজু করে উপাসনার আসনে বসার পরে দুই চোখ বন্ধ করে তৃতীয় নয়ন দ্বারা আজকের বারের জাগ্রত সময়ে করা সকল কাজ সমূহকে স্মরণ করতে হবে। যেমন, সারাদিন কি কি চিন্তা করেছি, কি কি দর্শন করেছি, কি কি শ্রবণ করেছি, কি কি কথা বলেছি, এবং হাত ও পা দ্বারা কি কি কর্ম সম্পাদন করেছি। পাঁচ ইন্দ্রিয়ের সকল কর্ম সমূহে কি কি উত্তম কাজ করেছি, ও কি কি মন্দ কাজ করেছি তাহা আলাদা ভাবে বাছায় করুন। এবার উত্তম কাজ সমূহের জন্য স্রষ্টার কাছে শুকরিয়া আদায় করুন, ও সকল মন্দ কাজ সমূহের জন্য অনুতপ্ত হউন, এবং আগামীতে আর মন্দ কাজ না করার জন্য অঙ্গীকার করুন।

উত্তম কাজ সমূহের জন্য শুকরিয়া- মনে মনে পাঠ করুন-
১। হে প্রভু, আজকের জাগ্রত সময়ে আমাকে দিয়ে উত্তম কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য ২। তোমার দরবারে শতকোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি ৩। আর আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি যে ৪। আগামী জাগ্রত সময়েও যেন তুমি আমাকে উত্তম কাজ সমূহের মধ্যে নিয়োজিত রাখবে।

মন্দ কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়ে অঙ্গীকার, জোরে জোরে পাঠ করবে-
১। হে প্রভু, আজকের জাগ্রত সময়ে আমি আমার কামনা ও বাসনা শক্তির প্ররোচনায় পড়ে যে সকল মন্দ কাজ করে ফেলেছি .২। সে সকল মন্দ কাজের জন্য আমি তোমার দরবারে বড়ই অনুতপ্ত ৩। আজ আমি অঙ্গীকার করছি ৪। আগামীর জাগ্রত অবস্থায় আমি কামনা ও বাসনা শক্তির প্ররোচনায় পড়ে আর কোন মন্দ কাজ করবো না ৫। আমি তোমার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি যে ৬। তুমি আমাকে কামনা ও বাসনা শক্তির সকল ক্যু প্ররোচনা হতে দূরে থাকার শক্তি দান করো ৭। আর তুমি আমাকে দান করো শান্তিময় অনন্ত জীবন।

এবার উপাসনার জন্য নিয়ত করতে, মনে মনে বলিবে-
হে প্রভু, চন্দ্রবার গণনা হিসাবে আজকের বারের প্রথম প্রহরে দুই অঙ্গীকারী উপাসনা করার জন্য নিজ গুরু মুখীতে রোখ হইলাম।
সকলে সজোরে বলিবে- মুর্শিদ সহায় হউক সকল কাজে।
জোরে বলা এই বাক্যটুকুকে অঙ্গীকারে সমর্থন করা বলে।

অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর পাঠ করিবে-
১। হে প্রভু, তুমি আমাদিগকে সৃষ্টি করেছো ২। প্রতিপালন করছো ৩। শান্তি পথের সন্ধান দিয়েছো ৪। মুর্শিদের হাতে হাত রেখে বাইয়াত হওয়ার তৌফিক দান করেছো ৫। সত্য ও সরল পথে চলার ক্ষমতা দিয়েছো ৬। অনুগ্রহ করে আমাকে পথভ্রষ্ট করিও না ৭। আখিরাতে শাস্তি প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করিও না।
এর পর মস্তক অবনত করে সাত বার বলিবে- সত্য সহায় হউক সর্ব জীবে।
পুঁতিদানা মালা পাঠের নিয়ম-
সারাদিনে তুমি যতগুলি মন্দ কাজ করেছো, প্রত্যেক মন্দ কাজের জন্য এক পুঁতিদানা মালা খতম করতে হবে। প্রতিবার পুঁতিদানা মালা খতমে-
প্রথম ৩৩ দানায় বলিবে- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ। দ্বিতীয় ৩৩ দানায় বলিবে- সত্য সহায় হউক সর্ব জীবে। তৃতীয় ৩৩ দানায় বলিবে- মুর্শিদ সহায় হউক সকল কাজে।

সূর্য উদয়ের পূর্ব মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে অজু করে উপাসনার আসনে বসার পরে, প্রথমে দুই চোখ বন্ধ করে তৃতীয় নয়ন দ্বারা দৃষ্টি করুন, ও মনে মনে বলুন।
১। হে প্রভু, তোমার অশেষ করুণাতে আজ আমি নিদ্রাময় জীবন হতে জাগ্রত জীবনে ফিরে আসতে পেরেছি ২। তোমার ইচ্ছা না হলে হয়তো এই নিদ্রাই আমার শেষ নিদ্রা হয়ে যেতো ৩। নিদ্রা হতে জাগ্রত করার জন্য আমি তোমার দরবারে শতকোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি ৪। হে প্রভু, আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যে, যতক্ষণ তুমি আমাকে জাগ্রত অবস্থায় রাখবে ৫। ততক্ষণ তুমি আমাকে উত্তম উত্তম কাজ সমূহের মধ্যে নিয়োজিত রেখো ৬। কামনা ও বাসনা শক্তির প্ররোচনায় পড়ে মন্দ কাজ করা থেকে আমাকে রক্ষা করো ৭। আর তুমি আমাকে শান্তিময় অনন্ত জীবন দান করো।

উপাসনার অঙ্গীকারে, মনে মনে বলিবে-
হে প্রভু, সূর্যবার গণনা হিসাবে আজকের বারের প্রথম প্রহরে দুই অঙ্গিকারী উপাসনা করার জন্য নিজ কেবলা মুখীতে রোখ হইলাম।

অঙ্গীকারের পরে পূর্বের নিয়মেই উপাসনা সম্পন্ন করতে হবে।

তোমরা নিজ নিজ ঘরে একাকী ও স্বামী স্ত্রী মিলে, এবং অনেকে এক সাথে উপাসনা করতে পারো, তবে- প্রতি বৃহস্পতি বার জুম্মা হিসাবে নিজ নিজ ঘরে বা একাকী উপাসনা না করে, সকলে এক সাথে উপাসনা করবে। সে ক্ষেত্রে সূর্য মধ্য আকাশে অবস্থান কালে জুম্মার উপাসনা আদায় করতে হবে।
ঘরে একাকী উপাসনা আদায় কালে গুরু স্মরণ কেবলায় উপাসনা আদায় করবে। স্বামী স্ত্রী উপাসনা আদায় কালে স্বামী স্ত্রীকে ও স্ত্রী স্বামীকে কেবলা মেনে উপাসনা আদায় করবে। অনেকে এক সাথে উপাসনা আদায় করলে, মাঝখানে গুরু বা গুরু সমতুল্য ব্যাক্তিকে রেখে গোল হয়ে সকলে গুরু মুখী হয়ে উপাসনা আদায় করতে হবে।

জুম্মা বার উপাসনা
বৃহস্পতিবার সূর্য মধ্য আকাশে অবস্থান কালে জুম্মা উপাসনা আদায় করতে হবে।
উপাসনা আসনে বসার পরে-
সূর্য মধ্য আকাশে অবস্থান মুহূর্তে অজু অবস্থায় উপাসনা আসনে বসার পরে দুই চোখ বন্ধ করে তৃতীয় নয়ন দ্বারা বিগত ছয় বারের জাগ্রত সময়ে করা সকল কাজ সমূহকে স্মরণ করতে হবে। যেমন, ছয়বারে জাগ্রত অবস্থায় কি কি চিন্তা করেছি, কি কি দর্শন করেছি, কি কি শ্রবণ করেছি, কি কি কথা বলেছি, এবং হাত ও পা দ্বারা কি কি কর্ম সম্পাদন করেছি। পাঁচ ইন্দ্রিয়ের সকল কর্ম সমূহে কি কি উত্তম কাজ করেছি, ও কি কি মন্দ কাজ করেছি তাহা আলাদা ভাবে বাছায় করুন। এবার উত্তম কাজ সমূহের জন্য স্রষ্টার কাছে শুকরিয়া আদায় করুন, ও সকল মন্দ কাজ সমূহের জন্য অনুতপ্ত হউন, এবং আগামীতে আর মন্দ কাজ না করার জন্য অঙ্গীকার করুন।

উত্তম কাজ সমূহের জন্য শুকরিয়া- মনে মনে পাঠ করুন-
১। হে প্রভু, বিগত ছয়বারের জাগ্রত সময়ে আমাকে দিয়ে উত্তম কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য ২। তোমার দরবারে শতকোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি ৩। আর আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি যে ৪। আগামী জাগ্রত সময়েও যেন তুমি আমাকে উত্তম কাজ সমূহের মধ্যে নিয়োজিত রাখবে।

মন্দ কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়ে অঙ্গীকার, জোরে জোরে পাঠ করবে-
১। হে প্রভু, বিগত ছয়বারের জাগ্রত সময়ে আমি আমার কামনা ও বাসনা শক্তির প্ররোচনায় পড়ে যে সকল মন্দ কাজ করে ফেলেছি .২। সে সকল মন্দ কাজের জন্য আমি তোমার দরবারে বড়ই অনুতপ্ত ৩। আজ আমি অঙ্গীকার করছি ৪। আগামীর জাগ্রত অবস্থায় আমি কামনা ও বাসনা শক্তির প্ররোচনায় পড়ে আর কোন মন্দকাজ করবো না ৫। আমি তোমার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি যে, ৬। তুমি আমাকে কামনা ও বাসনা শক্তির সকল ক্যু প্ররোচনা হতে দূরে থাকার শক্তি দান করো ৭। আর তুমি আমাকে দান করো শান্তিময় অনন্ত জীবন।

উপাসনার নিয়ত, মনে মনে বলিবে-
হে প্রভু, চন্দ্রবার গণনা হিসাবে আজকের বারের সপ্তম প্রহর ও সূর্য বার গণনা হিসাবে আজকের বারের তৃতীয় প্রহর এ দুই অঙ্গীকারী উপাসনা আদায়ের জন্য গুরু কেবলা মুখীতে রোখ হইলাম।

সকলে সজোরে বলিবে- মুর্শিদ সহায় হউক সকল কাজে।

জোরে বলা এই বাক্যটুকুকে অঙ্গীকারে সমর্থন করা বলে।
অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর পাঠ করিবে-
১। হে প্রভু, তুমি আমাদিগকে সৃষ্টি করেছো। প্রতিপালন করছো ৩। শান্তি পথের সন্ধান দিয়েছো ৪। মুর্শিদের হাতে হাত রেখে বাইয়াত হওয়ার তৌফিক দান করেছো ৫। সত্য ও সরল পথে চলার ক্ষমতা দিয়েছো ৬। অনুগ্রহ করে আমাকে পথভ্রষ্ট করিও না ৭। আখিরাতে শাস্তি প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করিও না।
সেজদায় গিয়ে সাত বার বলিবে- সত্য সহায় হউক সর্ব জীবে।

দশ চিজের নাম ও অর্থ

চিজের নাম                     অর্থ                                        চিজের নাম                           অর্থ

১। তৌবা                      গুনাহ পরিত্যাগ করা                   ২। এনাবত                            আল্লাহ্‌তে রুজু থাকা

২। জোহদ                     পৃথিবী বিরাগী থাকা                    ৪। রেয়াযাত                          এবাদতে শ্রম দেওয়া

৫। অরা                        আল্লাহ্‌ ভীতি থাকা                     ৬। কানাজাত                         অল্পে তুষ্ট থাকা

৭। তাওয়াক্কাল               আল্লাহ্‌তে নির্ভরশীলতা               ৮। তাসলিম                          আল্লাহ্‌ই সোপর্দ থাকা     

৯। সবর                       ধৈর্য ধারণ করা                          ১০। রেদা                              আল্লাহ্‌র খুশিতে খুশি থাকা

তালেবানের রেজালত ১০টি পরিবর্তে ১০টি লতাফত হাসেল হওয়া চাই

১। রেজালত  ২। হারাম  ৩। মিথ্যা  ৪। হাসাদ  ৫। কিনা  ৬। আদাওয়াত  ৭। সাহাওয়াত  ৮। গীবত  ৯। তকব্বরি  ১০। তহমত।


১। আলোচনা করে জ্ঞানীগণ, ঝগড়া করে অজ্ঞানীগণ ও মারামারি করে পশুগণ। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।

২। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নেওয়া ছলনাময়ী আশ্রয়টুকুর নামই, প্রেম বা ভালবাসা। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।

৩। যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। আর- যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।

৪। আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা বলতে কিছু নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।।

(73)

9 Responses

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,,

    হুজুরী দেল বলতে কি বুঝানো হয়েছে।

  • গুরুজি

    হুজুরী দেল বলতে কি বুঝানো হয়েছে।

    হৃদ মাঝারে গুরুকে জাগ্রত করাকে হুজুরী দেল বলে।

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,

    হৃদ মাঝারে গুরুকে জাগ্রত করাকে হুজুরী দেল বলে

    * হৃদ মাঝারটা কি?

    * গুরুই বা কে?

  • গুরুজি

    * হৃদ মাঝারটা কি?

    হার্ট, কলিজা, হৃৎপিণ্ড।

    গুরুই বা কে?

    গুরু পাঁচ প্রকার-

    (১) মাতা গুরু- যার গর্ভে ছিলাম ও মাতৃ স্বত্বা সমূহ, (২) পিতা গুরু- যার ঔরসে ছিলাম ও পিতৃ স্বত্বা সমূহ, (৩) শিক্ষা গুরু- বই, অর্থাৎ যাহার মধ্যে হাজার বছর আগের শিক্ষা ভরা আছে, (৪) দীক্ষা গুরু- যিনি বইয়ের লেখা সমূহ কি তাহার দর্শন দিতে পারেন, (৫) পরম গুরু- মহাবিশ্ব সৃষ্টির মৌল উপাদান।

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,

    হৃদ মাজারে কিভাবে জাগ্রত করা যায়,

    মাতা জীবিত আছেন

    পিতা ৬ বছর হলো দেহত্যাগ করেছেন

    শিক্ষা গুরু বলতে কি স্কুল কলেজের শিক্ষকদের বুঝানো হয়েছে?

    দীক্ষা গুরু বলতে কি বুঝানো হয়েছে,?

    পরম গুরু বলতে কি বুঝানো হয়েছে?

  • গুরুজি

    হৃদ মাজারে কিভাবে জাগ্রত করা যায়,

    মাতৃ সত্বা বলতে যে উপাদান বা স্বত্বা সমূহ জীবের সাত সেফাত, তথা- জীবিত শক্তি, জ্ঞান শক্তি, কর্ম শক্তি, যৌন শক্তি, দর্শন শক্তি, শ্রবন শক্তি ও বাক শক্তিকে সঞ্জীবিত রাখে। মাতা গুরুকে হৃদ মাঝারে জাগ্রত করতে শতদল কমল থেকে শপ্ত রস গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ কলেমা তৈয়বের ইল্লাল্লাহর জিকির করতে হবে। যাহা গুরু দেখিয়ে দেবেন।

    পিতৃ শক্তি বলতে যে উপাদান সমূহ বা স্বত্বা সমূহ জীবের হাড়, চুল, নখ, রগ ও গোশত উৎপত্তি করে। পিতা গুরুকে হৃদ মাঝারে জাগ্রত করতে হলে পঞ্চদল কমল হতে রস গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ কলেমা তৈয়বের লাইলাহার জিকির করতে হবে। যাহা গুরু শিখিয়ে দেবেন

    শিক্ষা গুরু বলতে বই সমূহ। আপনি যত বই পড়বেন, ততো নিত্য নতুন জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে হৃদয় জাগ্রত হবে। এমনকি কুত্তার বই পড়লে ও জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে কিঞ্চিৎ হলেও হৃদয় জাগ্রত হবে।

    দীক্ষা গুরু বলতে যে যেই বিষয়ে দর্শন দিতে পারবে সেই দীক্ষা গুরু। আর দীক্ষা গুরুকে হৃদ মাঝারে জাগ্রত করা মানে, দীক্ষা গুরু যে দর্শন সমূহ দেবেন তাহাকে হৃদয়ে ধারন করা, ও কি করলে দীক্ষা গুরু খুশি মনে দর্শন দেবেন সে বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া।

    পরম গুরু বলতে প্রকৃতির প্রবাহিত উপাদান সমূহ। প্রকৃতির প্রবাহিত উপাদান সমূহ থেকে ধন সঞ্চয়ের মাধ্যমে হৃদয় হৃদয়কে জাগ্রত করা।

     

     

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,
    #পরম গুরু বলতে প্রকৃতির প্রবাহিত উপাদান সমূহ। প্রকৃতির প্রবাহিত উপাদান সমূহ থেকে ধন সঞ্চয়ের মাধ্যমে হৃদয় হৃদয়কে জাগ্রত করা।
    ————————————————————————-
    গুরুজী এই অংশটুকু যদি একটু বুঝিয়ে দিতেন।
    উপাদান সমূহ কিকি?
    আর কি ধন সঞ্চয় করা যায়?

  • গুরুজি

    #পরম গুরু বলতে প্রকৃতির প্রবাহিত উপাদান সমূহ। প্রকৃতির প্রবাহিত উপাদান সমূহ থেকে ধন সঞ্চয়ের মাধ্যমে হৃদয় হৃদয়কে জাগ্রত করা।

    মহাবিশ্বের সকল কিছুই প্রবাহমান ও সকল কিছু থেকেই ধন সঞ্চয় করা সম্ভব। তবে প্রথমতঃ আলো, তাপ ও বায়ু থেকে ধন সঞ্চয় করা যায়, শুধুমাত্র এটুকুই জেনে রাখুন।

  • শুক্রধর

    গুরুজী,

    হুজুরি দেল বলতে কী বুঝায়?

    হুজুর, তৌবা, তসলিম, এনাবৎ, যোহদ, অরা, রেদা, সবর, তাওয়াক্কাল, কানাযাত,মোরাকাবা, কোশেশ , বেলায়েত, সোগরা, হাসেল 

    উপরোক্ত শব্দগুলির অর্থ কী ?

Leave a Reply