আমি আমার থেকে মহাবিশ্বের আর কাউকেই বেশি ভালোবাসি না। আমি যাহা কিছু করি প্রধানত আমি নিজে ভালো থাকার জন্য করি। কেহ যদি বলে আমি আমা অপেক্ষা তোমাকে অধিক ভালোবাসি, তাহলে সে মিথ্যা বলে নয় অজ্ঞতা বশত বলে। আর প্রতিটি প্রাণীরই উচিৎ সে যেন  নিজেকে ভালোবাসতে শেখে ও নিজেকে ভালোবাসে।  

এখানে প্রশ্ন করতে পারেন যে, আপনি কি আপনার পিতামাতাকে, ভাইবোনকে, সন্তানাদিকে ও স্ত্রীকে ভালোবাসেন না, তাদের সেবা করেন না? উত্তর, অবশ্যই আমি আমার পিতামাতাকে, ভাইবোনকে, সন্তানাদিকে ও স্ত্রীকে ভালোবাসি না ও তাদের ভালো থাকার জন্য তাদের সেবা করি না। তাদের জন্য আমি যততুকু সেবা করি তার সবই আমাকে ভালোবাসার জন্য ও আমি ভালো থাকার জন্য করি। কারণ পিতামাতা, ভাইবোন, সন্তানাদি ও স্ত্রীর দুঃখ ও কষ্ট দেখলে আমার ভালো লাগে না, আমি ভালো থাকতে পারিনা। আমি তখন অনেক কষ্ট পায়। আর তখন আমি আমার কষ্ট লাঘবের জন্যই পিতামাতা, ভাইবোন, সন্তানাদি ও স্ত্রীর সেবা করি।

এজন্য আমি পিতামাতার সেবা করি যে, পিতামাতার কষ্ট দেখলে আমার কষ্ট লাগে, তাই আমার কষ্ট লাঘবের জন্যই আমি আমার পিতামাতার সেবা করি। আবার এমনও হতে পারে যে, পিতামাতার কষ্ট দেখে হয়তো আমার কোন কষ্টই লাগে না। তারপরেও আমি পিতামাতার সেবা করতে বাধ্য হই যে, পিতামাতার সেবা না করলে সমাজের লোকেরা আমাকে খারাপ চোখে দেখবে। হয়তো বা আমি সমাজের চোখে ভালোমানুষ হওয়ার জন্যই পিতামাতার সেবা করি। সার কথা, আমি আমাকে ভালোবাসি তাই আমার ভালোলাগা ও ভালো থাকার জন্যই পিতামাতার সেবা করি, পিতামাতার ভালোলাগা, ভালো থাকা ও ভালোবাসার জন্য নয়।

আবার এমন ও হতে পারে যে, আমার পিতামাতা এখন বৃদ্ধ। তারা এখন কর্মক্ষম। তাদের এই সময়ে যদি আমি তাদের পাশে না থাকি, তাদের সেবা না করি, তাহলে আমার বৃদ্ধ বয়সে আমার সন্তানাদি আমার সেবা করবে না। তাই বৃদ্ধ বয়সে যেন আমি আমার সন্তানাদি দ্বারা সেবা হতে বঞ্চিত না হই সেই আশংকা থেকে আমি আমার পিতামাতার সেবা করি। তার মানে আমি পিতামাতাকে ভালোবেসে নই আমাকে ভালোবাসি বলেই পিতামাতার সেবা করি।

সন্তানাদির সেবা করি এ জন্য যে, তাদের কষ্ট দেখলে আমি কষ্ট পায়। তাই আমার কষ্ট লাঘবের জন্য আমি সন্তানাদির সেবা করি। আমার সহায় সম্পদ ও আমার উত্তরাধিকার রেখে যাওয়ার জন্য আমি সন্তাদির সেবা করি। অর্থাৎ আমার মনের প্রশান্তি ও ভালো থাকার জন্য ও আমি আমাকে ভালোবাসার জন্যই আমার সন্তানাদিকে সেবা করি, সন্তানাদিকে ভালোবেসে নয়।

আর স্বামি- স্ত্রীর সেবা ও দায়িত্ব পালন এবং স্ত্রী- স্বামীর সেবা ও দায়িত্ব পালন করে এ জন্য যে, তারা তাদের সেবা ও দায়িত্ব পালন না করলে তাদের উভয়েরই শান্তি বিঘ্নিত হবে। কেন না স্বামী ভালো থাকার জন্য ও শান্তি পাওয়ার জন্য স্ত্রীকে ঘরে এনেছে, আবার স্ত্রী ভালো থাকার জন্য ও শান্তি পাওয়ার জন্যই স্বামীর ঘরে এসেছে। তারা একে অপরের সেবা ও দায়িত্ব পালন না করলে কেউই সুখে ও শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই তারা উভয়েই নিজে সুখে ও শান্তিতে থাকার জন্যই একে অপরের সেবা করে ও দায়িত্ব পালন করে। এখানে কেউ ই অন্যের ভালো থাকা ও অন্যকে ভালোবাসার জন্য একে অপরের সেবা ও দায়িত্ব পালন করে না। মূলত তারা নিজেকে ভালবাসে বিধায় নিজেকে ভালো রাখার জন্যই একে অপরের সেবা ও দায়িত্ব পালন করে।  

প্রশ্ন করতে পারেন যে, আপনি কি অসহায়কে সহায়তা করেন না? ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন না? অবশ্যই আমি অসহায়কে সহায়তা করি ও ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়। তবে সেটা অসহায়কে ভালোবেসে বা ভিক্ষুককে ভালোবেসে নই, সেটা ও আমি আমাকে ভালোবাসার জন্যই করি। কারণ, অসহায়কে সহায়তা করলে সমাজ আমাকে ভালো বলবে, আমাকে বাহবা দেবে, যাকে সহায়তা করলাম সে আমাকে ভালো জানবে, আমার বাধ্য হয়ে চলবে, অথবা অসহায়কে সহায়তা করলে আল্লাহ আমাকে পুন্য দেবে। মৃত্যুর পরে আল্লাহ আমাকে জান্নাত দেবে। আর ভিক্ষুককে ভিক্ষাও দিই সেই ভিক্ষার বিনিময়ে আল্লাহ পুন্য ও জান্নাত দেবে। সার কথা, অসহায়কে সহায়তা করা ও ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়া সেটা অসহায় ব্যাক্তি ও ভিক্ষুককে ভালোবেসে নয়, মূলত আমি আমাকে ভালোবেসেই করি, অসহায় ও ভিক্ষুককে ভালোবেসে নয়।

তবে প্রতিটি প্রাণীরই উচিৎ যে, সে যেন তার নিজেকে ভালোবাসতে শিখে ও নিজেকে ভালোবাসতে শুরু করে।

আর আমি যদি আমাকে ভালোবাসি তাহলে আমি কোন অবস্থাতেই মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। কেন না, যেই আমি আমাকে এতো ভালোবাসি সেই আমি আমাকে কোন অবস্থাতেই সমাজের বুকে নিজেকে মিথ্যাবাদী রূপে উপস্থাপন করে, নিজেকে অপমানিত করতে পারি না। আর যদি আমি নিজেকে ভালো না বেসে আমার ইচ্ছাকে ভালোবাসি, তাহলে আমি আমার ইচ্ছা পূরণের জন্য মিথ্যা কথা বলে, সমাজের বুকে মিথ্যাবাদী রূপে পরিচিতি লাভ করে নিজেকে অপমানিত করতে একটু ও দ্বিধাবোধ করবো না।

আমি যদি আমাকে ভালোবাসি, তাহলে আমি কোন অবস্থাতেই খুন করতে পারি না। কেননা যেই আমি আমাকে এতো ভালোবাসি সেই আমি আমাকে কোন অবস্থাতেই সমাজের বুকে খুনি রূপে উপস্থাপন করে নিজেকে অপমানিত ও নিজেকে খুন হওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না। আমি যদি আমাকে ভালোবাসি তাহলে আমি সন্ত্রাসী করতে পারি না, চাঁদাবাজি করতে পারি না, ধর্ষণ করতে পারি না, মদ, গাজা, ইয়াবা, হিরোইন, পান, চা, জর্দা, বিড়ি, সিগারেট খাইতে পারি না। কারণ এর প্রতিটিই তিল তিল করে আমার ক্ষতি সাধন করে, কোন না কোন এক সময় আমাকে অশান্তির অতল গহবরে নিমজ্জিত করবে।

আর যদি আমি আমাকে ভালো না বেসে আমার ইচ্ছাকে ভালোবাসি, তাহলে নিজের ইচ্ছা পূরণের জন্য উপরিউক্ত কাজ সমূহ করে নিজের মান, সম্মান ও জীবন বলি দিতেও দ্বিধাবোধ করবো না।

আসুন, আজ থেকে আমরা আমাদের ইচ্ছাকে নয়, আমরা আমাদের নিজেকে ভালোবাসোতে শিখি ও নিজেকে ভালোবাসোতে শুরু করি।

মহাবিশ্বের সকল প্রাণী যখন নিজেকে ভালোবাসোতে শিখবে ও নিজেকে ভালবাসবে, কেবল মাত্র তখনই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। আর পৃথিবী নামক গ্রহের স্বঘোষিত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষ প্রজাতি যখন নিজেকে ভালোবাসোতে শিখবে ও নিজেকে ভালবাসবে, কেবল মাত্র তখনই পৃথিবী নামক গ্রহে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

   ———————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————-

১। আলোচনা করে জ্ঞানীগণ, ঝগড়া করে অজ্ঞানীগণ ও মারামারি করে পশুগণ। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।

২। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নেওয়া ছলনাময়ী আশ্রয়টুকুর নামই, প্রেম বা ভালবাসা। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।

৩। যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। আর- যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।

৪। আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা বলতে কিছু নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। গুরুজি সেরু পাগলার বাণী।।

(85)

19 Responses

  • আবু সাইদ

    গুরুজি:আমি বলতে কি বুঝায়?এবাদতের মাধ্যমে কি ভাবে আমার আমিকে সূস্থ্য রাখতে পারি?

  • গুরুজি

    গুরুজি:আমি বলতে কি বুঝায়?

    আমি বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির স্রষ্টার অংশ বিশেষ।

    এবাদতের মাধ্যমে কি ভাবে আমার আমিকে সূস্থ্য রাখতে পারি?

    যে সকল স্বত্বা আমা হতে ক্ষয় প্রাপ্ত হচ্ছে, তাহাকে পূরণের মাধ্যমে সুস্থ্য ও শান্তিময় জীবন গড়ে তুলতে পারি। আর এটাই মৌল এবাদত বা উপাসনা।

  • আবু সাইদ

    গুরুজি:কোন কোন স্বত্বা বা উপাদান আমা হতে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে?যে পদ্ধতিতে উপাসনা করলে ক্ষয়প্রাপ্ত স্বত্বা বা উপাদান পূণরায় প্রাপ্ত হতে বা যোগ করতে পারি ব্যাখ্যা দিন?

  • গুরুজি

    গুরুজি:কোন কোন স্বত্বা বা উপাদান আমা হতে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে?

    জীবের দেহ হতে একটি উপাদানই ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে, আর সে উপাদানটির নাম নূর বা আল উৎপত্তি স্বত্বা বা উপাদান। স্থান, কাল ও পাত্র ভেদে এক নূর পঞ্চ গুণ বিশিষ্ট হয়ে ক্রিয়া সম্পাদন করছে ও ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। সেই পঞ্চ নূরের নাম। জ্বালালি, জামালি, জাতি, সেফাতি ও আদি। এ বিষয়ে বিস্তারিত দর্শন পেতে সাক্ষাতের প্রয়োজন। ব্লগে আলোচনা ও দর্শন দেওয়া সম্ভব নয় বলে আমি মনে করি।

    যে পদ্ধতিতে উপাসনা করলে ক্ষয়প্রাপ্ত স্বত্বা বা উপাদান পূণরায় প্রাপ্ত হতে বা যোগ করতে পারি ব্যাখ্যা দিন?

    মাতৃ ও পিতৃ সূত্র মোতাবেক ধন সঞ্চয়ের মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত স্বত্বা পূরণ করা সম্ভব। প্রভু চাইলে সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা করা যাবে।

  • আবু সাইদ

    গুরুজি:জ্বিন বশিকরণ কোন মন্ত্র,তন্ত্র,বিদ্যা বা পদ্ধতি আছে কি?থাকলে অধমকে দয়া করে জানাবেন?নতুবা কিভাবে মাতৃধণ প্রাপ্ত বা সঞ্চয় করতে পারি?

  • গুরুজি

    গুরুজি:জ্বিন বশিকরণ কোন মন্ত্র,তন্ত্র,বিদ্যা বা পদ্ধতি আছে কি?থাকলে অধমকে দয়া করে জানাবেন?

    ও সকল বিষয়ের প্রতি আমার বিশ্বাস নাই। তাই ও সকল বিষয়ে আমি কোন সাহায্য করতে পারছি না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

    নতুবা কিভাবে মাতৃধণ প্রাপ্ত বা সঞ্চয় করতে পারি?

    ব্লগে নয়, সাক্ষাতে আলোচনা করতে চাই।

  • আবু সাইদ

    গুরুজি:আমার সহধর্মীনির নাই।মাতাকে যদি বাধ্য করতে না পারি,মাতৃধণ কিভাবে পেতে পারি?

  • Masum Mia

    # আমি আমার থেকে মহাবিশ্বের আর কাউকেই বেশি ভালোবাসি না। আমি যাহা কিছু করি প্রধানত আমি নিজে ভালো থাকার জন্য করি।

    —————————————————————————————

    সালাম গুরুজী,,

    আমি বলতে কি এই দেহধারী মানুষ কে বুঝায়??

  • গুরুজি

    আমি বলতে কি এই দেহধারী মানুষ কে বুঝায়??

    আমি বলতে যে মহাশক্তির ক্ষমতায় প্রাণী সমূহ শুনতে, বলতে, চলতে, বুদ্ধিতে, দেখতে, প্রজনন করতে ও ভালোবাসতে পারে, তাকেই আমি বলে।

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,
    আমি বলতে যে মহাশক্তির ক্ষমতায় প্রাণী সমূহ শুনতে, বলতে, চলতে, বুদ্ধিতে, দেখতে, প্রজনন করতে ও ভালোবাসতে পারে, তাকেই আমি বলে।
    ——————————————–
    গুরুজী মহাশক্তি গুলো কি কি??

  • গুরুজি

    গুরুজী মহাশক্তি গুলো কি কি??

    মহাশক্তি গুলো বলতে দ্বিবচন জানতে হবে। অর্থাৎ মহাশক্তি মূলত দু প্রকারের বা দু ভাগে ভিভক্ত। তার একটি নর ও একটি নারী। আর এই একটি নর ও একটি নারীর সম্মিলিত অবস্থাকে প্রচলিত কোরআন আল্লাহ বলে পরিচয় দিয়েছে।

    সার কথা, মূলতঃ মহাবিশ্ব সৃষ্টির মৌলো অণুপ্রাণ নর ও নারীর সম্মিলিত রূপ। আর সেই মৌল অণুর অংশ দিয়েই প্রতিটি প্রাণীর উৎপত্তি। আর সেজন্যই বলা হয়েছে প্রাণীর মধ্যেই আল্লাহ বিরাজিত।

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,
    আপনার সাথে সরাসরি সাক্ষাতের ইচ্ছা, যদি মনের আশা পূরন করতেন।

  • গুরুজি

    আপনার সাথে সরাসরি সাক্ষাতের ইচ্ছা, যদি মনের আশা পূরন করতেন।

    আমি যখন গ্রামের বাড়িতে যায়, শুধুমাত্র তখনই আমার সাথে সাক্ষাত করা যাবে। সেক্ষেত্রে আপনি কি বারে বা কোন তারিখে সাক্ষাত করতে পারবেন, অর্থাৎ, যেহেতু আপনি চাকরীজীবী  তাই আপনার সুবিধা মতো বার বা তারিখ জানালে আমি বাড়ি যাওয়ার জন্য সে রকম বার বা তারিখ নির্ধারণ করার চেষ্টা করবো।

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,
    যে কোন শুক্রবার হলে ভাল হয় ।

  • গুরুজি

    যে কোন শুক্রবার হলে ভাল হয় ।

    যেহেতু আমার বাড়ি মেহেরপুর, আর আপনি যাবেন ঢাকা থেকে। তার মানে আপনেকে বৃহস্পতিবার রাতের গাড়িতে যাত্রা শুরু করতে হবে। শুক্রবার দিনে সাক্ষাত করে আবার শনিবারে অফিস ধরতে হবে? নাকি রবিবারে অফিস করলে চলবে?

  • মাসুম মিয়া

    সালাম গুরুজী,
    বৃহস্পতিবার অফিস করে রওয়ানা করবো, শুক্রবার রাতের গাড়ীতে উঠে শনিবার অফিস করবো। এটাই পরিকল্পনা করছি।

  • গুরুজি

    বৃহস্পতিবার অফিস করে রওয়ানা করবো, শুক্রবার রাতের গাড়ীতে উঠে শনিবার অফিস করবো। এটাই পরিকল্পনা করছি।

    ঠিক আছে। সাক্ষাতের তারিখ শীঘ্রই জানানো হবে।

  • মাসুম মিয়া

    অপেক্ষায় থাকলাম গুরুজী

  • গুরুজি

    অপেক্ষায় থাকলাম গুরুজী

    শুভ কামনা রইলো।

Leave a Reply