১। বিএনপি সহ ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায়, আওয়ামীলীগ নাকি বিএনপি লাভবান হয়েছে?

২। ২৩ তারিখ থেকে বাড়িয়ে ৩০ তারিখে নির্বাচন সম্পন্নের তারিখ নির্ধারণ করা, ও কাদের সিদ্দিকির বলাঃ ইসি স্বাধীন হলে নির্বাচন ১ মাস পেছাতো। এটাকে আপনারা কীভাবে গ্রহণ করছেন।

৩। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের বলাঃ বিদেশী পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্বাচন পেছানোর দাবী অযৌক্তিক। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?

৪। যুক্তফ্রন্ট মহাজোটের সাথে নির্বাচনে অংশ নিলে, বিএনপি কতটুকু ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে আপনি মনে করেন?

৫। ক্রিকেটার মাশরাফির নির্বাচনে অংশগ্রহনকে আপনি কীভাবে গ্রহণ করছেন?

৬। ঐক্যফ্রন্টের দাবী মতো নির্বাচন ৩০ দিন পেছালে, বিএনপির কতটুকু লাভ হবে বলে মনে করেন, ও নির্বাচন কমিশনের কতটুকু ক্ষতি হবে বলে মনে করেন?

৭। সিইসি’র নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আপনি মনে করেন কি-না?

৮। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ঐক্যফ্রন্ট ও চৈদ্দ দলের কে কতোটি আসন পেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

 

(34) বার পঠিত

4 Responses

  • আবু সাইদ

    ১।আওয়ামীলীগ লাভবান হয়েছে।২।ইসি স্বাধীন,নিবন্ধিত সকল দলের অংশগ্রহণমুলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য,ইসি নির্বাচন ৭দিন পিছিয়ে দিয়েছে।এটি একটি ভাল সিদ্ধান্ত।৩।বিদেশী পর্যবেক্ষকদের জন্য নিবার্চন পেছানো শুধু অযৌক্তিকই নয় রীতিমত হাস্যকর,আমার জানা মতে বিশ্বের কোন রাষ্ট্রেরই এমন নজির নাই। ৪।যুক্তফ্রন্ট মহাজোটের সাথে নির্বাচনে অংশ নিলে,বিএনপি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখিন হবে।কারন-যুক্তফ্রন্টের প্রধান শর্ত তারা স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে কোন ঐক্য বা ফ্রন্ট গঠণ করবে না।আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ আবারও প্রমান পেলো,বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধীদের দোসর।৫।মাশরাফির নির্বাচনে অংশগ্রহণ আওয়ামীলীগের ট্রামকার্ড।আমি তাকে সাধুবাদ জানাই।৬।আসলে ঐক্যফ্রণ্ট সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির ষরযন্ত্রে লিপ্ত!তারা মনে করছে নির্বাচন ১মাস পিছালে,তখন স্বল্পমেয়াদে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারের মেয়াদ পূর্তির পূর্বে নির্বাচন অনুষ্ঠান প্রতিহত করা যাবে।আর তখন সরকারের পতন হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে বাধ্য হবে!৭।অবশ্যই সিইসি’র নির্ধারিত তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।৮।নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে,আমি মনে করি ঐক্যফ্রন্ট৮৩টি এবং মহাজোট ২১৭টি আসন পাবে

    • আইবেক গবেট

      ধন্যবাদ।

  • অঞ্জন

    ১. বিএনপির লাভ। নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পরবে।

    ২.৭ দিন পেছানো মানে দেশ অস্থিতিশীল করার সময়টা ৭ দিন বেশি পাওয়া।

    আর নির্বাচন কমিশন স্বাধীন নয়,স্বাধীন হলে সময়টা ১৫ দিন পেতো।

    ৩. প্রশ্নই ওঠা উচিত নয়।

    ৪.বিএনপি স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি এটা আরো একবার প্রমাণিত হবে,অবশ্য এতে খুব একটা ক্ষতি হবে না কারণ বাংলাদেশের মানুষের শর্ট মেমোরি।

    মূল ক্ষতি হলো,কিছু জনসমর্থন কমবে।

    ৫.মাশরাফি স্টার। তার মানে এই নয় যে সে শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন।

    ক্যানাডা বা অনেক দেশের মন্ত্রী পরিষদ ডাক্তার, পাইলট, অবঃ কর্ণেল, অার্কিটেক্ট নিয়ে গঠিত।

    তবে এ দেশে এমন চাওয়াটা বেমানান।

    শুনেছি, মাশরাফি দানবীর। সেক্ষেত্রে আমি দানবীর ও নির্লোভ ব্যক্তিকে সমর্থন করি।

    ৬. নির্বাচন ৩০ দিন পেছালে বিএনপি কিছুটা সংগঠিত হবার সময় বেশি পাবে।

    এতে প্রাতিষ্ঠানিক  ইসির ক্ষতি নেই।

    ক্ষতি দেশের। অসিংসতায় দেশ বেশিদিন ভুগবে।

    ৭.নিশ্চিত নয়। রাজনীতির দাবা খেলায় কে কখন মন্ত্রী হারায় বলা মুশকিল।

    নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন হবার সম্ভাবনা আছে।

    ৮. নিরপেক্ষ শব্দটি অগ্রনযোগ্য।

    কেন্দ্র দখলের উপর নির্ভর করবে।

    • আইবেক গবেট

      ধন্যবাদ।

Leave a Reply