—————————————————————————————————————————————

  (১) الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

আল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন

(১) সমস্ত প্রশংসা দুই বিশ্বের প্রতিপালক উপাস্যের জন্য।

—————————————————————————————————————————————

শব্দার্থ- আল-সমস্ত, হামদ-প্রশংসা, লি-জন্য, আল্লাহ্‌-উপাস্য, রব-প্রতিপালক, আলামিন-দুই বিশ্ব।

পাতা (২৪)

 حَمْدُ – হামদ- প্রশংসা। প্রচলিত কোরআন হামদ বা প্রশংসা শব্দের মাধ্যমে শুরু করা হয়েছে। এর দ্বারা মোহাম্মদ মানব মণ্ডলীকে বার্তা দিয়েছেন যে, হে মানব মণ্ডলী, তোমরা একে অপরের ভালো কাজ সমূহের জন্য প্রশংসা করো। কেন না প্রশংসা এমন একটি শক্তি, যা পাওয়ার জন্য সকলেই আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে। মানুষ যখন কারো ভালো কাজের জন্য প্রশংসা করে, তখন প্রতিটি মানুষই প্রশংসা প্রাপ্তির আশায় ভালো কাজ করার চেষ্টা করবে। এতে করে মানব মণ্ডলীতে ভালো কাজ সমূহ করার জন্য প্রেরণা প্রাপ্ত হবে, ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবে। কোন প্রাণী যদি তাঁর ভালো কাজ সমূহের জন্য প্রশংসা না পায়, তাহলে সে প্রাণী সমূহ ভালো কাজ করার প্রেরণা হারিয়ে ফেলে এবং মন্দ কাজে জড়িয়ে পড়ে। তাই প্রতিটি প্রাণীরই উচিৎ, সে যেন সকল ভালো কাজের জন্য কর্তাকে প্রশংসা করে।

প্রশংসা করতে পারা এমন একটা গুণ, যাহার মাধ্যমে একে অপরের সাথে সু-সম্পর্ক স্থাপন করে ও সম্পর্ককে দৃঢ় করে। যে যত বেশি প্রশংসা করতে পারবে তাঁর তত বেশি বন্ধু তৈরি হবে। তাই আমাদের সকলেরই উচিৎ, একে অপরের ভালো কাজের প্রশংসা করা।

প্রশংসার বিপরীত শব্দ হল নিন্দা। নিন্দা করতে পারা এমন একটি দোষ, যাহার মাধ্যমে একে অপরের সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করে, শত্রুতে পরিণত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে। যে যত নিন্দা করতে পারে তাঁর তত বেশি শত্রু তৈরি হবে। তাই আমাদের সকলেরই উচিৎ নিন্দাকে পরিহার করা ও শত্রু মুক্ত হওয়া।

اَللّهُ – আল্লাহ্‌- উপাস্য। দুই বিশ্ব সৃষ্টির প্রথম ধাপের মৌল উপাদানসমূহের সমষ্টি, যাহা সৃষ্টিসমূহের জন্য উপাস্য। আল্লাহ্‌’তে রয়েছে দ্বিতীয় ধাপের মৌল উপাদানের সমাহার। তাঁর একটি আলিফ বা এক অণু মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর বা পুরুষ স্বত্বা বা উপাদান বা অক্সিজেন, দুটি লাম অর্থাৎ দুই অণু মহাবিশ্ব সৃষ্টির নারী বা প্রকৃতি স্বত্বা বা হাইড্রোজেন, ও একটি ছোটহা বা এক অণু আগুন। ইহা দ্বারাই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে এবং মহাবিশ্বের সকল সৃষ্টি সমূহ ইহারই উপাসনা করে চলেছে। তবে দুই লামের ভিতরে তাশদীদের মাধ্যমে আরেকটি লাম লুকায়িত। তিন লাম, এক আলিফ ও এক ছোটহা এর সম্মিলিত রূপের নামই আল্লাহ্‌ বা উপাস্য।

رَبِّ – রব- প্রতিপালক। আল্লাহ্‌ বা মহাবিশ্ব সৃষ্টির মৌল উপাদান থেকে সৃষ্ট দ্বিতীয় ধাপের মৌল উপাদান হল রব। অর্থাৎ আল্লাহ্‌র গুণ বাচক ১১৪টি নামই মহাবিশ্ব সৃষ্টির মৌল উপাদান থেকে সৃষ্ট দ্বিতীয় ধাপের মৌল উপাদান। সে সূত্রে আল্লাহ্‌ বা স্রষ্টার গুণ বাচক নাম হল ১১৪টি। যাহা সৃষ্ট জীবের চার বিভাগে, (শ্বেত কণিকার নর ও নারী এবং লোহিত কণিকার নর ও নারী) চার রূপে ক্রিয়া সম্পাদন করে।

প্রকাশ থাকে যে, আল্লাহ্‌র এই ১১৪টি গুণ বাচক নামকেই ইসমে আযম বলা হয়। ইসমে আযম অর্থ

পাতা (২৫)

মহান নাম বা মর্যাদাপূর্ণ নাম। কেউ কেউ আল্লাহ্‌র ১১৪টি নামের মধ্যে কিছু নামকে ইসমে আযম বলেন, ও কিছু নামকে ইসমে আযম মানতে রাজী নয়। তবে তরীকাতে সুন্নাতাল্লাহির মতে আল্লাহ্‌র

১১৪টি নামের প্রতিটি নামই এক একটি ইসমে আযম।

عَالَمِين – আলামিন- দুই বিশ্ব। عَالَم আলম শব্দের বাংলা অর্থ বিশ্ব। আলম শব্দটি এক বচন, কিন্তু আলামিন শব্দটি আলম শব্দের দ্বিবচন। সে সূত্রে আলামিন শব্দের বাংলা অর্থ দুই বিশ্ব।  আল্লাহ্‌ যেখনে অবস্থান করেন সে স্থানের নাম মহাবিশ্ব। অর্থাৎ আমাদের দৃষ্টি সীমায় আমরা যাহা দেখি ও যাহা দেখতে পায় না তাঁর সকল স্থান ব্যাপী চার কোণা বিশিষ্ট অর্থাৎ চতুর্ভুজ স্থানের নাম মহাবিশ্ব।

দুটি বিশ্বের সমন্বয় সংঘটিত অবস্থানকে মহাবিশ্ব বলে। তাঁর একটি বিশ্বের নাম عَالَمُ الْخَالِق আলামুল খালিক বা স্রষ্টাবিশ্ব। স্রষ্টা মণ্ডলী যেখানে অবস্থান করে, মূলতঃ তাহাঁকেই স্রষ্টাবিশ্ব বলে। অপরটি বিশ্বটির নাম হল عَالَمُ الْمَخلُوق আলামুল মাখলুক বা সৃষ্টিবিশ্ব। সৃষ্টি মণ্ডলী যেখানে অবস্থান করে, মূলতঃ তাহাঁকেই সৃষ্টি বিশ্ব বলে। আর এই দুই বিশ্বের সম্মিলিত অবস্থার নাম আলামিন বা মহাবিশ্ব।

—————————————————————————————————————————————

(২)  الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

আলিফলাম রাহমান আলিফলাম রাহিম (আর রাহমানির রাহিম)

(২) গর্ভাশয়ে মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর ও নারী স্বত্বা বা উপাদানে, দয়াময় মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর ও নারী স্বত্বা বা উপাদান।

—————————————————————————————————————————————

শব্দার্থ- আলিফলাম আর রাহমান- গর্ভাশয়ে মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর ও নারী স্বত্বা, আলিফলাম রাহিম- দয়াময় মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর ও নারী স্বত্বা বা উপাদান।

الرَّحْمَٰنِ – আলিফলাম রাহমান- আরবি رَحم রাহম শব্দের বাংলা অর্থ গর্ভ বা গর্ভাশয়। আরবি রাহম শব্দ থেকে রাহমান শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। যার বাংলা অর্থ গর্ভাশয়স্থিত বা গর্ভাশয়ে অবস্থানকারী। অর্থাৎ গর্ভাশয়ে অবস্থানকারী সৃষ্টিবিশ্বের নর ও নারী স্বত্বা বা উপাদান বা শুক্রাণুকে আলিফলাম রাহমান বা আর রাহমান বলা হয়।

الرَّحِيمِ – আলিফলাম রাহিম- আরবি رَحِيم রাহিম শব্দের বাংলা অর্থ দয়াময়। আলিফলাম রাহিম

পাতা (২৬)

শব্দের বাংলা অর্থ মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর ও নারী দয়াময় স্বত্বা বা গর্ভাশয়ে স্থান পাওয়া শুক্রাণু, গর্ভিণীর নিকট থেকে যে উপাদান সমূহ প্রাপ্ত হয়ে ধীরে ধীরে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, সে স্বত্বাসমুহকেই আলিফলাম রাহিম, বা মহাবিশ্ব সৃষ্টির নর ও নারী স্বত্বা বা উপাদান বলে।

গর্ভিণীর ডান স্তনের পাঁচটি ভাণ্ড থেকে, গর্ভস্থিত শুক্রাণু বা প্রাণীর পাঁচ ওজুদ, বা দেহ (ওয়াজেবল ওজুদ, অহেদাল ওজুদ, আরেফাল ওজুদ, মোমকেনাল ওজুদ, মোমতেনাল ওজুদ) গঠন স্বত্বা, যেমন আলো, বাতাস, মাটি, পানি ও আগুন, এবং বাম স্তনের সাত ভাণ্ড থেকে, গর্ভস্থিত শুক্রাণু, বা প্রাণীর সাত সেফাত, বা গুণ, বা শক্তি (হাইউন, আলিমুন, কুদিরুন, মুরিদুন, সামিউন, বসিরুন ও কলিমুন) জীবিত শক্তি, জ্ঞান শক্তি, কর্ম শক্তি, যৌন শক্তি, শ্রবণ শক্তি, দর্শন শক্তি ও বাক শক্তি’র উৎপত্তি স্বত্বা মিলিয়ে সর্বমোট সাত ও পাঁচ বারো স্বত্বা, বা কলেমা তৈয়ব লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর বারো অক্ষর দয়া করে যিনি নাযিল বা অবতরণ করে, সেই মহা শক্তিকে আলিফলাম রাহিম বা নর-নারীর দয়াময় বলে।

সার কথা- গর্ভে স্থান পাওয়া শুক্রাণু গর্ভিণী হতে চল্লিশ সপ্তাহে, বা ২৮০ বারে, বা ২৮০ দিনে যে সকল উপাদান সমূহ প্রাপ্ত হয়ে পূর্ণ শিশুতে রূপান্তরিত হয়, সেই উপাদান সমূহ বা স্বত্বাকেই প্রচলিত কোরআনে মোহাম্মদ, আলিফলাম রাহিম বলে পরিচয় দিয়েছেন। মূলতঃ প্রচলিত কোরআন উহাকেই কলেমা তৈয়ব বলে উল্লেখ করেছেন।


১। আলোচনা করে জ্ঞানীগণ, ঝগড়া করে অজ্ঞানীগণ ও মারামারি করে পশুগণ। সেরু পাগলার বাণী।

২। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নেওয়া ছলনাময়ী আশ্রয়টুকুর নামই, প্রেম বা ভালবাসা। সেরু পাগলার বাণী।

৩। যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। আর- যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।

৪। আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা বলতে কিছু নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।

(177) বার পঠিত

26 Responses

  • শুক্রধর

    তবে দুই লামের ভিতরে তাশদীদের মাধ্যমে আরেকটি লাম লুকায়িত।

    এই লাম দিয়ে কী বুঝানো হয়েছে?

    • গুরুজি

      লাম এর যে অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে, সে অর্থই বুঝতে হবে।

  • আবু সাইদ

    রাহীম স্বত্বা বা উপাদান’কলেমা তৈয়ব’যাহা মুহাম্মদী ধন বা ফোরকান রুপে লাম মীমে অবতরন বা অবতীর্ণ হয়,যাহা আমি মাতৃগর্ভে থাকাবস্থায় এবং আমার জন্মের পরেও পাঠ করি।কিন্তু-রাহমান স্বত্বা বা উপাদান কি সহিফা?ইহাই কি ইব্রাহীমি স্বত্বা বা উপাদান?ইহাই কি ইব্রাহীমি পুরান সত্য ধর্ম,যাহা প্রাপ্ত হয়েছেন রাসূল(সাঃ)?ইহাই কি খেলাফত?ইহাই কি রাসূল(সাঃ)দিয়েছেন মাওলা আলী(আঃ)কে?আমার ‘রাহমান’ স্বত্বা বা উপাদান প্রাপ্তির ভেদ-বিধান কি?মূর্খরা বেহুদা প্রশ্ন করে,জ্ঞানীরা মার্জনা করে।

  • গুরুজি

    রাহীম স্বত্বা বা উপাদান’কলেমা তৈয়ব’যাহা মুহাম্মদী ধন বা ফোরকান রুপে লাম মীমে অবতরন বা অবতীর্ণ হয়,যাহা আমি মাতৃগর্ভে থাকাবস্থায় এবং আমার জন্মের পরেও পাঠ করি।

    রাহিম শুধুমাত্র মোহাম্মদি বিষয়টি এরূপ নয়, রাহিম মূলতঃ মোহাম্মদি, আহাম্মদি ও আহাদি ধন। আর রাহিম শুধু ফোরকান রূপে লাম মীমে অবতরণ বা অবতীর্ণ হয় এরূপ নয়, রাহিম তাওরাত, যবুর ও ইঞ্জিল রুপেও অবতীর্ণ হয়, যাহা মাতৃগর্ভে শিশু প্রাপ্ত হয়ে থাকে। আর সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরে প্রাপ্ত ধনকে ফোরকান বলে। সার কথা, শুক্রাণু গর্ভিণী হতে যাহা কিছুই প্রাপ্ত হয়, তাঁর সবই কলেমা তৈয়ব বা কলেমা তৈয়বের অংশ বিশেষ।

    কিন্তু-রাহমান স্বত্বা বা উপাদান কি সহিফা?

    হ্যাঁ! রাহিম এর মধ্যেই সহিফা বিদ্যমান রয়েছে।

    ইহাই কি ইব্রাহীমি স্বত্বা বা উপাদান?ইহাই কি ইব্রাহীমি পুরান সত্য ধর্ম,যাহা প্রাপ্ত হয়েছেন রাসূল(সাঃ)? ইহাই কি খেলাফত?

    ইহা শুধুই ইব্রাহীমি ধর্ম নয়। ইহা ঈসা, মুসা, দাউদ, নূহ ও সোলাইমানের ধর্ম। ইব্রাহীম অর্থ যৌবন। মোহাম্মদকে ইব্রাহীমি ধর্মে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তবে অন্য সকল ধর্ম যে দেয় নাই তা বলা হয় নি। তবে উক্ত ধনে ধনী হলে সেই খলীফা হওয়ার যোগ্য, বা খেলাফতি অর্জনকারী।

    ইহাই কি রাসূল(সাঃ)দিয়েছেন মাওলা আলী(আঃ)কে?

    প্রচলিত কোরআনে আলোচনা করেছে ও আলীকে হাতে ধরে কর্ম করানোর মাধ্যমে জ্ঞান দান করেছেন।

    আমার ‘রাহমান’ স্বত্বা বা উপাদান প্রাপ্তির ভেদ-বিধান কি?

    আপনার আর রহমান স্বত্বা পাওয়ার যোগ্যতা নাই। তবে রাহিম স্বত্বা পেতে পারেন। শুধু আপনি নয়, প্রতিটি ভূমিষ্ট হওয়া প্রাণীই রহমান স্বত্বা পাওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছে। রাহিম স্বত্বা প্রাপ্তি বিষয়ে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট পাতায় আলোচনা হবে।

    মূর্খরা বেহুদা প্রশ্ন করে,জ্ঞানীরা মার্জনা করে।

    যিনি প্রশ্ন করেন তিনি অর্ধেক জ্ঞানী, সে প্রশ্ন হুদাই হউক আর বেহুদাই হউক।

     

  • অঞ্জন

     

    গুরুজি,

    চতুর্ভুজ স্থান টি বলতে কি বুঝি?

    • গুরুজি

      মহাবিশ্বে অবস্থিত নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ এঁরা সকলেই প্রায় বৃত্তাকার। কারণ এর সবগুলিই ঘূর্ণায়মান। কিন্তু এই নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহেরা যাহার মধ্যে অবস্থান করে, সেই মহাবিশ্ব বৃত্তাকার নয়, মহাবিশ্ব হল বর্গাকার। কারণ, নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহেরা ঘূর্ণায়মান। কিন্তু, মহাবিশ্ব স্থির।

  • আবু সাইদ

    গুরুজি-আমার মোবাইল সেট সমস্যার কারণে,যে কোন পোস্টের সর্ব শেষ কমেন্টসটাই শুধু দেখতে পারি।এই পোস্টে,আমি আমার কমেন্টেস এর জবাবটা দেখার পূর্বেই অঞ্জন ভাই কমেন্টস দেয়,বিধায় আপনার জবাবটা আমি দেখতে পারছি না।যদি দয়া করে জবাবটা,আমার ই-মেইলে পাঠাতেন!

    • গুরুজি

      মেইল চেক করুন।

  • আবু সাইদ

    গুরুজি-আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।।সত্য সহায় গুরুজি।।

  • আবু সাইদ

    বর্গাকার মহাবিশ্ব কি মানব দেহের কোন অজুদে বা স্থানে অবস্থিত?থাকলে কোথায়? ________________ অযতনে ডুবলো বেলা,ত্বরাও গুরু নিজো গুনে।আর আমার কেউ নাই গুরু তুমি বিনে। ************************

    • গুরুজি

      সৃষ্টি যেখানে অবস্থান করছে। অর্থাৎ নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহ সমূহ যেখানে অবস্থান করছে, সেই মহাবিশ্ব বর্গ আকারের ও স্থির। আর সেখানে অবস্থিত সকলেই চলমান বা প্রবাহমান।

  • আবু সাইদ

    সেটা কি মাতৃগর্ভ বা লাম?

    • গুরুজি

      আমি কিন্তু পরিস্কার করে দিয়েছি যে, নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহ সমূহ যেখানে অবস্থান করছে, সেটাই মহাবিশ্ব। আর সেই মহাবিশ্বটা বর্গাকার। আপনি যদি মহাবিশ্ব হয়ে থাকেন, তাহলে আপনিও বর্গাকার।

  • আবু সাইদ

    মহাবিশ্ব কি ভাবে সৃষ্টি হলো?মহাবিশ্বের পূর্বে কি ছিলো?

  • গুরুজি

    আজ পর্যন্ত কোন প্রাণীই মহাবিশ্ব কীভাবে সৃষ্টি হলো তাঁর সঠিক ও যুক্তিপূর্ণ তথ্য দিতে পারে নাই। এ বিষয়ে আমিও তাঁদের থেকে ঊর্ধ্বে নই।

  • আবু সাইদ

    মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল,স্থিতিশীল নাকি সংকোচনশীল?মহাবিশ্বের আয়তন কত?

  • গুরুজি

    মহাবিশ্ব স্থির ও স্থিতিশীল, মহাবিশ্বের মধ্যে সৃষ্ট সকল কিছুই অস্থির ও গতিশীল, তবে ঈষৎ বৃত্তাকারে। মহাবিশ্ব অসম্প্রসারণশীল, কিন্তু মহাবিশ্বের মধ্যে সৃষ্ট সকল কিছুই সম্প্রসারণশীল।

  • আবু সাইদ

    ২অনু হাইড্রোজেন+ ১অনু অক্সিজেন=পানি +আগুন(তাপ)=বাষ্প।দেহের মহাস্বত্বার এই বাষ্পরুপে বিয়োগ প্রতিরোধে,আগুন বা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনের পদ্ধতি কি?

    • গুরুজি

      জীবদেহের সেফাত বা গুণ বা শক্তি সমূহের তাপমাত্রাকে ১২ ডিগ্রীর নিচে নামাতে পারলে, জলীয়বাস্পকে পুনরায় একত্রিত করে পানিতে রূপান্তর ও ধারণ করা সম্ভব। আর তা করতে হলে সাধনা করতে হবে।

  • আবু সাইদ

    কোন সাধনা বা পদ্ধতিতে,দেহের সেফাত সমূহের তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী বা তার নিচে নামাতে পারি,দয়া জানবেন।

  • গুরুজি

    মাতৃ সূত্রে আপনি যে ধন প্রাপ্ত হয়েছিলেন, পুনরায় সে ধন প্রাপ্ত হলে সেফাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে ইনশাআল্লাহ্‌।

  • আবু সাইদ

    সেই মা জননী নিষ্ঠুর হলে,তার দয়া বা করুনা পাওয়ার উপায় কি?বিশেষ করে,যাহার আপন ঘরে মাতৃস্বত্বা আর পাওয়ার সম্ভনা নাই।

    • গুরুজি

      ঢাকা শহরের প্রায় সকলেই কোন চাষ আবাদ করে না, কিন্তু চাষিদের আবাদ করা প্রতিটি পণ্যই, উৎপাদনকারী বা চাষি  খাওয়ার পূর্বেই ঢাকা বাসী খেতে পারে। নিজের জমি না থাকা ও উৎপাদন না করাটা, পন্য প্রাপ্তির ব্যাপারে কোন অন্তরায় সৃষ্টি করতে পারে না।

  • আবু সাইদ

    সাধুর যুগোলও চরণের ধুলি, লাগবে কি এই পাপীর গাঁয়। আশা সিন্ধু তীঁরে, বসে আছি সদয়।।

    • গুরুজি

      আশা সিন্ধু কুলে বসে থাকাটা ধন প্রাপ্তি নিশ্চয়তা নয়। ধন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা হলো ধন প্রাপ্য হওয়া।

  • আবু সাইদ

    কিসে হবে নাগীনি বশ?সাধবো কবে অমৃত রস?

Leave a Reply