আবু বকর তাঁর খেলাফতি কালে প্রচলিত কোরআনের আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে, নিজেকে আবু সুফিয়ানের একনিষ্ঠ আদর্শ পালনকারী হিসাবে ব্রতী করে রেখেছিলেন। এতে করে ভিতরে ভিতরে ওসমান আবু বকরের প্রতি ক্ষুদ্ধ হয়ে, ধিরে ধিরে আলীর সাথে সম্পর্ক রেখে চলছিলেন। অন্যদিকে ওমরও আবু বকরের মতো আবু সুফিয়েনের নির্দেশ পালনকারী, আজ্ঞাবহে পরিণত হয়ে যায়। ইতিমধ্যে আবু বকর অসুস্থ হয়ে পড়লে, আবু সুফিয়ান ওসমান অপেক্ষা ওমোরকেই বেশি বিশ্বাসী মনে করে। এবং ওমরকে তিনি তাঁর ইচ্ছামতো পরিচালিত করতে পারবেন, ও ওসমান তাঁর ইচ্ছামতো পরিচালিত হবে না, এটা সে নিশ্চিত হয়ে যায়। আর সে জন্যই ওমর অপেক্ষা ওসমান বয়সে বড় হওয়া সত্ত্বেও, আবু সুফিয়ানের নির্দেশে, আবু বকর ওসমানকে বাদ দিয়ে ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা হিসাবে ওমরকে নির্বাচিত করেন।

ওমোর ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পরে, ধিরে ধিরে বুঝতে পারে যে, আবু সুফিয়ান কৌশল করে মোহাম্মদের প্রচারিত ধর্ম বাদ দিয়ে, অর্থাৎ প্রচলিত কোরআনের আইন বহির্ভূত বিষয়, যাহা পূর্ব থেকে চলে আসা অবৈজ্ঞানিক, কুসংস্কারে ঘেরা আইনসমূহ, যে আইন সমূহের বিরুদ্ধে মোহাম্মদের অবস্থান ছিল, সে সকল আইনকে মোহাম্মদের দেওয়া আইন বলে প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করার জন্য ওমোরকে ব্যবহার করার জোর চেষ্টা করছে। ওমোরের খেলাফতির পঞ্চম বৎসরে তিনি আবু সুফিয়ানকে বলেন যে, প্রচলিত কোরআনে থাকা আইনের বাইরে অন্য কোন আইন ও উপাসনা বিষয় প্রচার ও পালন করা আমার দ্বারা সম্ভব নয়। ওমোরের এই কথায় আবু সুফিয়ান বুঝতে পারে যে, সরাসরি প্রচলিত কোরআন বিরোধী আইন, তথা পূর্ব থেকে চলে আসা আইনসমূহকে প্রতিষ্ঠা করতে গেলে ওমোরের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হবে। আর ওমোরের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হলে প্রচলিত কোরআনের আইন বাদ দিয়ে পূর্ব থেকে চলে আসা আইন, তথা কুসংস্কার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। তখন আবু সুফিয়ান আবু হুরাইরার সরনাপন্ন হন।

আবু হুরাইরা ছিল তৎকালীন সময়ের কুসংস্কারাচ্ছন্ন উপাসনাকারীদের ধর্ম যাজক। তাঁর জন্ম হয়েছিল ইয়েমেনে। সে তৎকালীন সময়ের কুসংস্কারে ঘেরা উপাসনা বিষয় লিপিবদ্ধ করে রেখেছিলো। সেই সাথে যখন যে বিষয়কে উপাসনার জন্য ভালো মনে করতো, তখনই সে তা তাঁর কাছে লিখে রাখতো। সে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করতো ও তাঁর কাছে লিখিত থাকা মনগড়া, অবৈজ্ঞানিক উপাসনা বিষয় প্রচার করে নিজেকে ধার্মিক রূপে উপস্থাপন করতো। এতে করে সে সময়ের অজ্ঞ লোকেরা আবু হুরাইরাকে অনেক বড় বিজ্ঞ ও ধার্মিক মনে করে, অতিথি হিসাবে বাড়ীতে নিয়ে যেতো, ভালো ভালো খাবার খাওয়াতো, হয়ে যেতো তাঁর ভক্ত। এভাবেই সে
(তেইশ)
এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ঘুরে বেড়াতো, ও পূর্ব থেকে চলে আসা উপাসনা প্রণালী প্রচার করতো। তাতে করে ইয়েমেনের প্রায় সকল অঞ্চলেই তাঁর ভক্ত ছিল। সে কখনোই রাসুলের কাছে বাইয়াত গ্রহণ করে নি। সে ছিল ইসলামের চিরশত্রু। মোহাম্মদের মৃত্যুর পরে আবু হুরাইরা ইয়েমেনে পূর্ব থেকে চলে আসা কুসংস্কারাচ্ছন্নে ঘেরা উপাসনা প্রচার করতে গেলে, মোহাম্মদের হাতে বাইয়াত গ্রহণকারীরা বিজ্ঞানময় প্রচলিত কোরআনের বাণী দিয়ে, আবু হুরাইরার মনগড়া অবৈজ্ঞানিক উপাসনা বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণ করলে, সে তখন তাঁর বলা কথাসমূহ মোহাম্মদের কাছ থেকে শুনেছেন বলে জোর দাবী করে। এতে করে মোহাম্মদ মৃত্যুর পরে আবু হুরাইরা পূর্ব থেকে চলে আসা কুসংস্কারে ঘেরা, অবৈজ্ঞানিক বিষয়সমূহ মোহাম্মদের কাছ থেকে শুনেছে বলে প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করতে থাকে।

ওমরের সাথে আবু সুফিয়ানের প্রচলিত কোরআনের আইন ও পূর্ব থেকে চলে আসা কুসংস্কারাচ্ছন্ন আইন প্রতিষ্ঠা নিয়ে যখন মতবিরোধের সৃষ্টি হয়, তখন আবু সুফিয়ান আবু হুরাইরাকে তাঁর কাছে নিয়ে আসে। এবার আবু হুরাইরা পূর্ব থেকে চলে আসা অন্ধবিশ্বাসী, কুসংস্কারাচ্ছন্নে ঘেরা, অবৈজ্ঞানিক উপাসনা পদ্ধতিসমূহ মোহাম্মদ বলেছেন বলে জোর দাবী করে, ও তা প্রতিষ্ঠা করতে তাঁকে তাগিদ দেয়। তখন ওমোর বলে যে, মোহাম্মদ উপাসনা বিষয়ে যাহা বলেছেন, তাহা প্রচলিত কোরআনে লিপিবদ্ধ হয়েছে। প্রচলিত কোরআনের বাইরে অন্য কোন আইন মানার জন্য মোহাম্মদ নির্দেশ দেন নাই। প্রচলিত কোরআনের বাইরে অন্য কোন বিষয় উপাসনা হিসাবে মান্য করার নির্দেশ থাকলে মোহাম্মদ তা লিখে রাখতে বলতেন। যেহেতু মোহাম্মদ প্রচলিত কোরআনের বাইরে অন্য কোন বিষয় লিখে রাখতে বলে নাই, সেহেতু প্রচলিত কোরআনের বাইরের অন্য কোন বিষয় ইসলামের আইন হতে পারে না। তাই আবু হুরাইরার বলা প্রচলিত কোরআন বহির্ভূত আইন মান্যকারীরা কোন অবস্থাতেই মোহাম্মদের আইন মান্যকারী হতে পারে না।

ওমোরের সাথে আবু সুফিয়ানের মতবিরোধ হলেও আবু সুফিয়ান সে দ্বন্দ্বকে জোরালো না করে ভিতরে ভিতরে আয়েশার সাথে সম্পর্কে রেখে চলতে লাগলো। রাজকোষ হতে সব থেকে বেশি সুবিধা প্রাপ্তির আশায় আয়েশা আবু সুফিয়ানকে সমর্থন করে চলছিলো। আবু হুরাইরার বলা পূর্ব থেকে চলে আসা প্রথা সমূহকে মোহাম্মদের বাণী হিসাবে দাবী করলে, আবু সুফিয়ানের যুক্তিতে আয়েশা আবু হুরাইরার বলা কথাকে মোহাম্মদের মুখ নিঃসৃত বাণী বলে সমর্থন করে। আয়েশা, আবু সুফিয়ান ও আবু হুরাইরা কর্তৃক ইসলামের সমূহ ক্ষতি হবে চিন্তা করে, ওমোর, ওসমান ও আলী ভিতরে ভিতরে আবার জোটবদ্ধ হয়ে, প্রচলিত কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার জন্য একমত হয়। অপরদিকে আয়েশার সমর্থনে আবু হুরাইরার কথাসমূহকে, যাহা পূর্ব থেকে চলে আসা অবৈজ্ঞানিক
(চব্বিশ)
প্রথা হিসাবে পরিচিত। সে সমস্ত আইনসমূহকে মোহাম্মদের বাণী ও আইন হিসাবে সমাজের বুকে ধিরে ধিরে প্রতিষ্ঠা করতে থাকে। আর তখন থেকেই ওমোর, ওসমান ও আলী প্রচলিত কোরআন মান্যকারী মুসলিম দল, ও আয়েশা, আবু হুরাইরা ও আবু সুফিয়ানরা আবু হুরাইরার বাণীসমূহকে মোহাম্মদের বাণী দাবী করে, আবু হুরাইরার আইন মান্যকারী মুসলিম নামে অমুসলিম দল হয়ে যায়।

ওমোরের খেলাফতির নবম বৎসরে আবু হুরাইরা নিজের মনগড়া আইনসমূহ, যাহা পূর্ব থেকে চলে আসা কুসংস্কারে ঘেরা উপাসনা আইনসমূহকে, আয়েশার সমর্থনে মোহাম্মদের বাণী বলে প্রতিষ্ঠিত করতে ওমোরের সমর্থন চাই, তখন ওমোর সরাসরি তা নাকচ করে দেয়। এতে আয়েশা ও আবু সুফিয়ান প্রকাশ্যে ওমোরের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে। তখন আবু সুফিয়ান আয়েশার মাধ্যমে ওমোরকে খলিফার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন ওমোর প্রকাশ্যে ঘোষণা করে যে, আবু হুরাইরা ও আবু সুফিয়ান ইসলামের চিরশত্রু। আর আয়েশা, আবু হুরাইরার বলা কথাসমূহ, যা পূর্ব থেকে চলে আসা কুসংস্কার মণ্ডিত। সেই বানীসমূহকে সমর্থন করে আয়েশা প্রচলিত কোরআন অমান্য করেছে। আবু সুফিয়ান ও আবু হুরাইরা মোহাম্মদের হাতে হাত রেখে কোন কালেই বাইয়াত গ্রহণ করে নি, অতএব তাঁরা মুসলমান নয়। আজ থেকে আবু সুফিয়ান, আবু হুরাইরা ও আয়েশার কোন মতামত ইসলামের জন্য গ্রহণ করা হবে না। সেই সাথে, আয়েশা যতদিন পর্যন্ত আবু হুরাইরার কথাসমূহকে মোহাম্মদের বাণী নয় বলে স্বীকার করে নেয়, ততদিন পর্যন্ত তাঁর খাবার ব্যতীত রাজকোষ থেকে অন্য সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা বন্ধ থাকবে। সে মোহাম্মদের স্ত্রী, তাই শুধুমাত্র তাঁর খাবার খরচ রাজকোষ থেকে বহন করা হবে।

ওমোরের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে আয়েশা ও ওমোরের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। আবু সুফিয়ান তখন যে কোন মুল্যে ওমোরকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রথমে জন সমর্থন নিয়ে ওমোরকে ক্ষতাচ্যুত করার চেষ্টা করলে, ওমোর, ওসমান ও আলীর ঐক্যের কাছে আবু সুফিয়ান, আবু হুরাইরা ও আয়েশা ওমোরকে ক্ষমতাচ্যুত করতে অসমর্থ হয়। এরপরে তাঁরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, যে কোন মুল্যে ওমোরকে হত্যা করতে হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওমোরের খেলাফতির সাড়ে দশ বৎসরের সময়, হিজরি ২৩ সনের ২৭ এ যিলহজ্জ বুধবার, সালাতে ইমামতি করার সময় পিছন থেকে আবু লুলু নামে আয়েশা ও আবু সুফিয়ান পন্থি, এক মুসলিম নামধারী অমুসলিম, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওমোরকে উপর্যুপরি আঘাত করে। সেই আঘাতে ওমোর মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। ২৪ হিজরি সনের ১লা মোহররম শনিবার ওমোর মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর পূর্বে তিনি আলী অথবা ওসমানের যে কাউকে ইসলামের তৃতীয় খলীফার অসিয়ত করে যান।
ওমোরের হত্যাকারী আবু লুলু একেবারেই অপরিচিত এক লোক ছিল। কি কারণে ও কার
(পঁচিশ)
কথায় সে ওমোরকে হত্যা করতে সিদ্ধান্ত নিলো, তা জানার জন্য আবু লুলু কে অক্ষত অবস্থায় আটক করা সম্ভব হয়েছিল। যদিও আবু লুলু কে অক্ষতভাবে আটক করতে গিয়ে তাঁর ধারালো অস্ত্রে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এই যে, কার প্ররোচনায় আবু লুলু ওমোরকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো তা জেনে উঠার আগেই, কে বা কারা কারাগারের মধ্যে আবু লুলু কে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে কারাগারের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে।


১। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নেওয়া ছলনাময়ী আশ্রয়টুকুর নামই, প্রেম বা ভালবাসা। সেরু পাগলার বাণী।

২। যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। আর- যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।

৩। আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা বলতে কিছু নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।

(91) বার পঠিত

4 Responses

  • শুক্রধর

    খেলাফতির সাড়ে দশ বৎসরের সময়, হিজরি ২৩ সনের ২৭ এ যিলহজ্জ বুধবার, সালাতে ইমামতি করার সময় পিছন থেকে আবু লুলু নামে আয়েশা ও আবু সুফিয়ান পন্থি, এক মুসলিম নামধারী অমুসলিম, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওমোরকে উপর্যুপরি আঘাত করে। সেই আঘাতে ওমোর মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। ২৪ হিজরি সনের ১লা মোহররম শনিবার ওমোর মৃত্যু বরণ করেন। 

    উপরোক্ত তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, তখনও নামাজ ছিল ꫰ তবে কেন আপনি বলছেন নামাজ ফরজ ইবাদাত নয়?

    ২. তাহলে ত্বরীকা পন্থী বা মারেফাত পন্থীরা কেন নামাজ পড়েন না?

    • গুরুজি

      নামায আদম আলাইহেস সালামের পূর্ব হতে ও বিদ্যমান ছিল। তবে নামায কোন কালেই ফরয ছিল না। প্রচলিত এই নামায সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি মাত্র।

      ২। কে বলেছে তরিক পন্থিরা নামায পড়ে না? আপনি চিশতিয়া তরীকার তালিম পোষ্ট টা পড়ে দেখুন। ওখানে চিশতিয়া তরীকার সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি নামাযের উল্লেখ করা হয়েছে।

  • আবু সাইদ

    সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির নামায যারা পড়ে,তাদের দ্বারা কি বিশ্বশান্তি সম্ভব?মূলত:তারা হিংষা -বিদ্বেষ লালনকারী।প্রচলিত কোরানে বলা আছে:সৃস্টির প্রতিটি জীব ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় আমাকে সেজদা করে।সেই নামায ব্যবস্থা কি অসাম্প্রদায়িক নয়?আমরা, সেই নামায কি তা জানতে চাই।

    • গুরুজি

      সার্বজনীন ভাবে মহাবিশ্বের সকল সৃষ্ট জীব ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় যে সালাত কায়েম করে। তা জানতে হলে। আগামী মাসে সদস্য ভর্তির যে ফরম দেওয়া হবে তা পূরণের মাধ্যমে নিবন্ধিত সদস্য হয়ে ধারাবাহিক জানার চেষ্টা করুন।

Leave a Reply