আপনারা সকলেই জানেন,গতকাল মুসলমানদের বাৎসরিক ধর্মিয় উৎসব, শবে বরাত উদযাপিত হয়ে গেলো। এই রাতে আল্লাহ পৃথিবীর খুব নিকট তম আসমানে নেমে এসে, সৃষ্টির মনুষ্য প্রজাতির ভাগ্য এক বছরের জন্য পুনঃ নির্ধারণ করেন। গতকাল আল্লাহ যখন ভাগ্য বন্টনের জন্য নিজ আসনে সমাসীন হোন,তখন ঘড়িতে বাজে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিট।

ভাগ্য লিপিবদ্ধের জন্য আল্লাহ যখন কাজ শুরু করেন ,তখন ফেরেস্তারা প্রথমেই পেশ করেন ধনিদের ভাগ্য তালিকা লিপিবদ্ধ করতে। আল্লাহ ধনিদের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করতে করতে রাত ২ টা বাজিয়ে ফেলেন।

এই সময়ের মধ্যে আল্লাহ ধনিদের ভাগ্যে যাহা লিপিবদ্ধ করেন ,তাহা হলো- ৫০% ধনিদের ধন, গত বছর অপেক্ষা দ্বীগুণ করে দেন। ৩০% ধনির ধন ৭৫% বৃদ্ধি করেন। এবং ২০% ধনিদের ধন ৫০% বৃদ্ধি করেন।

রাত ২ টার পরে ফেরেস্তারা মধ্যবিত্তদের তালিকা নিয়ে ভাগ্য বন্টনের জন্য পেশ করলে, তাদের ও ৫০% মধ্যবিত্তের ধন ৬০% বৃদ্ধি করেন, ৩০% এর ৪০% বৃদ্ধি করেন এবং ২০% মধ্যবিত্তের ধন আগামী বছরের জন্য ২০% বৃদ্ধি করেন।

উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করতে করতে ফজরের আজানের সময় হয়ে যায়। তখন ফেরেস্তারা নিম্নবিত্তদের তালিকা হাজির করলে, আল্লাহর হাতে তখন আর কোন সময় নাই । আল্লাহকে ফিরে যেতে হবে। কেন না ফজরের আজান এর সময় হয়ে গেছে। তাই আল্লাহ খুব তাড়া তাড়ি কলমের এক খোঁচাই নিম্নবিত্তের ভাগ্যে লিখে দিলেন । গতবছর ওদের ভাগ্য যেমন ছিলো, এবারও গরীবদের ভাগ্য তেমনই থাকবে।


১। যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। আর- যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম, নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিযোজিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।

২। আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা বলতে কিছু নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।

৩। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নেওয়া ছলনাময়ী আশ্রয়টুকুর নামই, প্রেম বা ভালবাসা। সেরু পাগলার বাণী।

(16) বার পঠিত

0 Comments

Leave a Reply